আধুনিক দাসত্ব ও প্রান্তিক মানুষের শ্রমের মর্যাদা: একটি মানবিক সংকট

বাংলাদেশ রাজনীতি ও অর্থনীতি

আমরা যে তথাকথিত সভ্য ও আধুনিক পৃথিবীতে বসবাস করছি তার গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন বা বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থার চোখ ধাঁধানো প্রবৃদ্ধির পেছনে অদ্যবধি দাসপ্রথা বিদ্যমান। যা প্রকৃতপক্ষে বিলুপ্ত হয়নি, বরং তার চরিত্র ও অবয়ব বদলেছে শুধু। লোহার বেড়ি, চাবুক কিংবা বাজারে মানব বিক্রী আজ রূপান্তরিত হয়েছে ‘legal invisibility’ ‘ঋণ-দাসত্বের (debt slavery) এর এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে। মানবাধিকার সনদের ২৩ নম্বর ধারায় প্রতিটি মানুষের জন্য “ন্যায়সংগত ও সন্তোষজনক মজুরি এবং অনুকূল কর্মপরিবেশের” যে অধিকার দেওয়া হয়েছে, তা প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি প্রান্তিক শ্রমিকের ক্ষেত্রে খর্ব হচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্ধ উন্মাদনায় আমরা শ্রমিক ও শ্রমকে স্রেফ পণ্য বানিয়ে ফেলেছি, যা মানুষের মৌলিক মর্যাদাকে এক চরম মানবিক সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
এই শোষণের গভীরতা অনুধাবন করতে হলে আমাদের সমকালীন শ্রম পাচারের প্রাতিষ্ঠানিক ও অ্যাকাডেমিক Blind Spots গুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এবং ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশনের (Walk Free Foundation) গ্লোবাল এস্টিমেটস অব মডার্ন স্লেভারি রিপোর্টের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী,

বিশ্বে প্রায় ৫ কোটিরও বেশি মানুষ আধুনিক দাসত্বের শিকার, যার মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষ জোরপূর্বক শ্রমের (Forced Labor) মধ্যে বন্দি।

কৃষি, নির্মাণ খাত, ইটের ভাটা এবং ঝুঁকিপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ ধরার নৌকার মতো অনিয়ন্ত্রিত খাতগুলোতে লাখ লাখ পুরুষ ও কিশোরদের অমানবিক পরিবেশে খাটানো হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাহিত্যের এক বিশাল শূন্যতা প্রদর্শন করে।
বাস্তব ক্ষেত্রে, লিবিয়ার সমকালীন উন্মুক্ত দাস বাজারগুলোর (Libyan Slave Markets) দিকে তাকালে এই নৈতিক অবক্ষয়ের সবচেয়ে কুৎসিত রূপটি দৃশ্যমান হয়। সেখানে গ্লোবাল সাউথ থেকে আসা নিরুপায় কালো চামড়ার অভিবাসীদের স্রেফ পণ্য বা মুক্তিপণের জন্য নিলামে তোলা হচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদরা একে ‘বর্ণবাদী পুঁজিবাদের’ (Racial Capitalism) একটি জঘন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, যেখানে নব্য-উদারনৈতিক বিশ্বায়ন ও সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপের ফলে তৈরি হওয়া অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের গায়ের রঙ ও ভৌগোলিক পরিচয় ভেদে তার জীবনের মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে।
Debt Slavery বা ঋণ দাসত্বের ভয়াবহতাও এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এক অবস্থানের দাবী রাখে। ILO Global Estimates অনুযায়ী বিশ্বিব্যাপী ২৭.৬ মিলিয়ন মানুষ এর ভুক্তভোগী, যার মধ্যে ৭১%ই নারী ও শিশু। পাকিস্তানের পেশগি প্রথা (Peshgi System)কে নিষিদ্ধ করে সুপ্রীম কোর্ট ১৯৯২ সালে ‘বন্ডেড লেবার সিস্টেম অ্যাবোলিশন অ্যাক্ট’ (Bonded Labour System Abolition Act) বা ‘দাসপ্রথা নিষিদ্ধকরণ আইন’ পাস করলেও ২০২৫ সালের U.S. department of state এর 2025 Trafficking in Persons Report: Pakistan অনুযায়ী ৪.৫ মিলিয়ন শ্রমিক এখনো এই ঋন দাসত্বের ভুক্তভোগী।
প্রজন্ম হতে প্রজন্ম চলতে থাকা এই দাসত্ব নির্মুলে রাষ্ট্র গুলো আইন তৈরী করলেও তার বাস্তবায়ন ও প্রয়োগ অত্যন্ত দূর্বল যার ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠি গুলো এই অমানবিক দাসত্ব বহন করেই ন্যুনতম মানবিক অধিকার বঞ্চিত জীবন পার করে যা আবার উত্তরাধিকার সুত্রে পরবর্তী প্রজন্ম বহন করতে থাকে। ঋণ-দাসত্ব বা নথিহীনতার কারণে জন্ম নেওয়া শিশুরা স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে মূল অভিভাবকের মর্যাদা হারানোর কারণে তার সন্তানরাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাজে “অদৃশ্য” ও দ্বিতীয় শ্রেণীর মানবে পরিণত হয়।

এই আধুনিক দাসত্বের অন্যতম আরেকটি রুপ হচ্ছে কাফালা ব্যবস্থা। শ্রমিকের আইনি অস্তিত্ব, কাজের অধিকার ও চলাচলের স্বাধীনতাকে একচেটিয়াভাবে একজন স্থানীয় নিয়োগকর্তা বা ‘কফিলের’ অধীনে জিম্মি করার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে যার মূল সংকট নিহিত রয়েছে, এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন ২৯ ও ১০৫ পরিপন্থী দাসপ্রথার এক আধুনিক রুপ। এই ব্যবস্থায় কফিলের অনুমতি ছাড়া চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ‘নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (NOC) সংগ্রহ করার বাধ্যবাধকতা এবং দেশত্যাগের জন্য ‘এক্সিট পারমিট’ অর্জনের নিয়ম অভিবাসী শ্রমিককে চুক্তিভিত্তিক দাসত্বের দিকে ঠেলে দেয়; যেখানে প্রতিবাদ করলেই কফিল কর্তৃক ‘হুরুব’ (Huroob বা অননুমোদিত অনুপস্থিতি) নামক প্রশাসনিক মামলা ঠুকে দিয়ে শ্রমিককে তাৎক্ষণিকভাবে বেআইনি বা অনিয়মিত (Undocumented) অভিবাসীতে পরিণত করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও পাসপোর্ট জিম্মি রাখা, বেতন না দিয়ে ‘আকামা’ (রেসিডেন্স পারমিট) নবায়ন না করা এবং ব্যাংক হিসাব সুবিধা না দেওয়ার মতো কৌশলে শ্রমিকের প্রাতিষ্ঠানিক আইনি সুরক্ষার পথ সম্পূর্ণ রুদ্ধ করা হয়। ফলে বিশেষত গৃহকাজে নিযুক্ত কোটি কোটি শ্রমিক, যারা অধিকাংশ দেশেই জাতীয় শ্রম আইনের (Labor Laws) আওতাভুক্ত নন, আইনি কাঠামোর কাছে কার্যত ‘অদৃশ্য’ হয়ে পড়েন, যেখানে নিয়োগকর্তা, স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনিক বিচারব্যবস্থার মধ্যকার ক্ষমতার বিষম ভারসাম্যহীনতার সুযোগে চরম শ্রম শোষণ,

দৈনিক ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা বাধ্যবাধকতামূলক বেগার শ্রম এবং শারীরিক-মানসিক নিপীড়ন কোনো প্রকার আইনি দায়বদ্ধতা ছাড়াই অব্যাহত থাকে।

অর্থাৎ, এই নব্য-দাসত্বের সবচেয়ে বড় আইনি হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায় ‘আইনি অদৃশ্যতা’ বা Legal Invisibility, যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDGs) ১৬.৯ টার্গেটের (Legal Identity for All) সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮৫ কোটি মানুষের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র বা জাতীয় দলিল নেই। এই পরিচয়হীনতা তাদের বিচারিক ও প্রশাসনিক সুরক্ষা বলয় থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং তারা জীবনধারণের তাগিদে অনানুষ্ঠানিক ও অনিয়ন্ত্রিত ছায়া-অর্থনীতিতে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়। কাফালার (Kafala) মতো বৈষম্যমূলক স্পন্সরশিপ সিস্টেম বা অসাধু দালাল চক্র যখন শ্রমিকদের পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র আইনবহির্ভূতভাবে আটকে রাখে, কিংবা প্রান্তিক অঞ্চলে সাক্ষরজ্ঞানহীন শ্রমিকদের উচ্চহারে সুদ এবং অন্যায্য মজুরির এর চক্রে আবদ্ধ রাখে তখন তাদের স্বায়ত্তশাসন পুরোপুরি হরণ করা হয়। এই আইনি শূন্যতাই তাদের চরমভাবে শোষণযোগ্য (Hyper-exploitable) করে তোলে।
দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের Categorical Imperative এর ‘ফরমুলা অব হিউম্যানিটি’ এই শোষণকে আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করে। কান্ট স্পষ্ট বলেছেন, প্রতিটি মানুষকে সর্বদা একটি ‘স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ সত্তা ‘ (End in itself) হিসেবে গণ্য করতে হবে, কখনো কেবল অন্য কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের ‘মাধ্যম’ বা যন্ত্র (Mere Means / Instrumentalization) হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। কান্টীয় কাঠামো অনুযায়ী, কেবল শোষণ না করাই (Non-instrumentalization) যথেষ্ট নয়, বরং মানুষকে জগতের একজন দরকারী সদস্য (Useful member of the world) হয়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে।
যখন উন্নত দেশগুলোর অতি-রক্ষণশীল সীমান্ত নীতি বা প্রতিকূল পরিবেশ তৈরির কৌশল অভিবাসীদের বৈধভাবে কাজ করার অধিকার কেড়ে নেয়, তখন তাদের ওপর এক ধরণের ‘বাধ্যতামূলক অকর্মণ্যতা’ (Enforced Uselessness) চাপিয়ে দেওয়া হয়। কাজ করতে না দিয়ে তাদের স্রেফ অতিরিক্ত ত্রাণের গ্রহীতা বানিয়ে রেখে মানুষের নৈতিক মর্যাদাকে চরমভাবে অপমানিত করা হয় এবং তাদেরকে পরজীবী (Parasitism) হতে বাধ্য করে স্রেফ উৎপাদনের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়।
এই মানবিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ইসলামী আইন ও বিচারশাস্ত্রের উচ্চতর লক্ষ্যসমূহ বা Maqasid al-shari’ah আমাদের এক অনন্য ও পুনর্গঠিত তাত্ত্বিক সমাধান দেয়। ইসলামী দর্শনে প্রতিটি মানুষকে সত্য, ন্যায় ও স্বাধীনতার প্রতীক এবং আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনে “وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ” (আমি বনী আদমকে তথা সকল মানুষকে সম্মানিত করেছি – সূরা বনী ইসরাঈল: ৭০)-এর উল্লেখ করা যেতে পারে। এই নীতি অনুযায়ী মানুষ জন্মগতভাবেই মর্যাদাবান। তার ধর্ম, বর্ণ, ভৌগোলিক অবস্থান, নাগরিকত্ব বা আইনি স্ট্যাটাস যাই হোক না কেন, শ্রমিকের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে তাকে শোষণ করা এই দৈব ও সহজাত মর্যাদা লঙ্ঘনের শামিল। চিরাচরিত ইসলামী চুক্তি আইন অনুযায়ী, শ্রমিকের মজুরি দ্রুত পরিশোধ করা এবং নিয়োগকর্তার অতিরিক্ত মুনাফার জন্য শ্রমিকের অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে কোনো শোষণমূলক বা কষ্টদায়ক শর্তারোপ (Onerous conditions) করা একাধারে ধর্মীয় ও নাগরিক অপরাধ।
সমকালীন ফিকহ্ সংস্কারের (Fiqh Reform) আলোকেই মানব পাচার ও আধুনিক দাসত্বের এই বাস্তবতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা জরুরি। প্রথাগতভাবে হিফজ আন-নাফস (Hifz al-nafs – জীবনের সুরক্ষা)-কে কেবল শারীরিক নিরাপত্তা হিসেবে দেখা হলেও,

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর পরিধি বাড়িয়ে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও আবেগীয় কল্যাণকে (Psychological, social, and emotional well-being) এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, কারণ দাসত্ব মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের চূড়ান্ত বিপর্যয় ঘটায়।

একইভাবে, হিফজ আল-ইরাদ (Hifz al-’ird – মর্যাদার সুরক্ষা)-কে শুধু ব্যক্তিগত সম্মানের সংকীর্ণ গণ্ডি থেকে বের করে সামগ্রিক মানবিক মর্যাদা, নৈতিক সততা এবং নির্যাতনমুক্ত জীবনযাপনের অধিকারের সাথে যুক্ত করা আবশ্যক। দীর্ঘস্থায়ী শ্রম শোষণ, বন্দীত্ব এবং ‘হুরুব’ বা বেআইনি অভিবাসীর আতঙ্কে শ্রমিকেরা যে চরম মানসিক ট্রমা (Learned Helplessness) ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তা তাদের স্বাধীন চিন্তাশক্তি ও মানসিক বিকাশকে তথা সম্পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক অস্তিত্বকে চূর্ণ করে দেয়। তাই মাকাসিদের দৃষ্টিভঙ্গিতে মানসিক স্বাস্থ্যের এই বিপর্যয় সরাসরি ‘হিফজ আন-নাফস’ এবং ‘হিফজ আল-আকল’-এর পরিপন্থী।
এই বহুমাত্রিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের কেবল তত্ত্বের আলোচনা বা ক্ষণস্থায়ী দাতব্য সহায়তার (Charity) মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর জন্য প্রয়োজন একটি বহু-অংশীজন সমন্বিত কাঠামো (Multi-Stakeholder Coordination) যেখানে রাষ্ট্র, মানবাধিকার সংস্থা, মনোবিজ্ঞানী এবং ভুক্তভোগী সারভাইভাররা একসাথে পলিসি তৈরিতে অংশ নেবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘কর্পোরেট সাসটেইনেবিলিটি ডিউ ডিলিজেন্স ডিরেক্টিভ’ (CSDDD)-এর মতো আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করে বহুজাতিক কর্পোরেশনগুলোর বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে জোরপূর্বক শ্রমের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। একই সাথে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) মাধ্যমে মানব পাচারের সাথে জড়িত উচ্চপদস্থ মিলিশিয়া ও পাচারকারী চক্রের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে, যতক্ষণ না আমরা মানুষের কাজের অধিকার ও তার মনস্তাত্ত্বিক-সামাজিক মর্যাদাকে একটি অলঙ্ঘনীয় অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারছি, ততক্ষণ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা কেবল কাগজে খোদাই করা কিছু শব্দ মাত্র। ইসলামের ন্যায়বিচারভিত্তিক আইনি সংস্কার এবং বৈশ্বিক অধিকার কাঠামোর সমন্বয়ে মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে একটি আখলাক ও আদালতসম্পন্ন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হোক আমাদের সম্মিলিত নাগরিক অঙ্গীকার।

শাহাদা নুর তামিমা একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি শিউলিমালা একাডেমির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ইন্টার্ন হিসেবে আছেন এপ্লাইড ডেমোক্র্যাসি ল্যাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

REFERENCES:
What Works To Eradicate Modern Slavery In Crisis Settings? Lessons From The Evidence
The Concept of Modern Slavery: Definition, Critique, and the Human Rights Frame
MODERN SLAVERY RISKS AMONG PEOPLE LACKING OFFICIAL DOCUMENTATION
Modern slavery and the United Nations Sustainable Development Goals.
Beyond (Non)-Instrumentalization: Migration and Dignity within a Kantian Framework | Ethical Theory and Moral Practice | Springer Nature Link
Human Trafficking and the Relevance of Hifz al-nafs and Hifz al-’ird in Contemporary Islamic Legal Ethics | MILRev: Metro Islamic Law Review
An examination of human rights resolutions with respect to Islamic law objectives (maqāṣid) theory (Select Cases)
Human Trafficking and the Relevance of Hifz al-nafs and Hifz al-’ird in Contemporary Islamic Legal Ethics | MILRev: Metro Islamic Law Review
https://ro.uow.edu.au/articles/thesis/Accounting_for_the_Institution_of_Peshgi_A_Case_Study_of_Vernacular_Accounting_Practices_in_a_Pakistani_Brick_Kiln/28899704?file=54076691

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *