পাশ্চাত্যের ভোগবাদ ও আত্মবিস্মৃতির সমালোচনা

মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত এক ধারাবাহিক আদর্শের লড়াই—আলো আর অন্ধকারের, আত্মসচেতনতা আর অনুকরণের, রূহানিয়াত আর বস্তুবাদের। আজকের পৃথিবীতে এই সংঘাত সবচেয়ে তীব্রভাবে দেখা যায় “আধুনিকতা” নামে এক পরস্পরবিরোধী ধারণার মধ্যে। আমাদের সমাজে আধুনিকতা মানেই যেন পাশ্চাত্য অনুসরণ। কিন্তু আধুনিক হওয়া মানে কি নিজের ঐতিহ্যকে অস্বীকার করা? নিজের সংস্কৃতিকে অবমূল্যায়ন করা? না—আধুনিকতা মানে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে […]

Continue Reading

রহমের দর্পণে প্রাণীকূল: ইসলামী সভ্যতা বনাম পাশ্চাত্য

প্রাণিকুলের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণার্থে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৪ অক্টোবর পালিত হয় ‘বিশ্ব প্রাণী দিবস’। ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে ১৯৩১ সালে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে দিবসটি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ন্যাচার ওয়াচ ফাউন্ডেশন দিবসটি সারাবিশ্বে প্রাণীপ্রেমীদের নিয়ে পালন করে থাকে। যেই ইউরোপীয়রা প্রাণীদের প্রতি এতটা সহানুভূতি বিশ্বের সামনে দেখিয়ে থাকে, বাস্তবে তারা প্রাণীদের সাথে কেমন আচরণ […]

Continue Reading

পাশ্চাত্যের দুর্বল সংস্কৃতি ও তথাকথিত আধুনিকতা এবং বাংলার বিপর্যয়

আধুনিকতার সংজ্ঞা আসলে কী? সত্যিকারের আধুনিকতা হলো, মানবতার কল্যাণে যুগোপযোগী জ্ঞান ও চিন্তাকে হাজির করা এবং সেগুলোকে সভ্যতার অগ্রগতিতে যথাযথভাবে কাজে লাগানো। কিন্তু আধুনিকতার ধারণাকে আজকে আমরা সম্পূর্ণ গুলিয়ে ফেলেছি। আজকে আমাদের কাছে আধুনিকতা মানে নিজেদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয় ভুলে গিয়ে পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্তঃসারশূন্য ‘কালচার’কে গ্রহণ করা; যেগুলো আমাদের মাতৃভূমির মাটি ও মানুষের সাথে […]

Continue Reading